সারা বাংলাদেশে লক্ষাধিক মানুষ 98ok ব্যবহার করছেন। তাদের মধ্যে কেউ ক্রিকেট বেটিং-এ এগিয়ে, কেউ লটারিতে ভাগ্য বদলেছেন, আবার কেউ লাইভ ক্যাসিনো থেকে নিয়মিত আয় করছেন। এখানে তাদেরই কিছু বাস্তব গল্প তুলে ধরা হয়েছে।
অনলাইন বেটিং নিয়ে অনেকের মনেই একটা দ্বিধা থাকে। "সত্যিই কি টাকা জেতা যায়? নাকি শুধু হারাতেই হয়?" — এই প্রশ্নটা অনেকেই মনে মনে রাখেন। 98ok বিশ্বাস করে যে স্বচ্ছতাই আস্থার ভিত্তি। সেই কারণেই আমরা বাস্তব খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা এখানে তুলে ধরছি — কোনো রকম বানোয়াট গল্প বা অতিরঞ্জন ছাড়াই।
এখানে যাদের গল্প আছে তারা সবাই সাধারণ মানুষ। কেউ গার্মেন্টসকর্মী, কেউ ছোট ব্যবসায়ী, কেউ বা কলেজের ছাত্র। তারা 98ok-এ শুরু করেছিলেন ছোট্ট পরিমাণ দিয়ে, এবং ধীরে ধীরে নিজেদের কৌশল তৈরি করে এগিয়ে গেছেন। এই গল্পগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন — সঠিক পরিকল্পনা, ধৈর্য আর দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে এগোলে 98ok সত্যিই একটি বাড়তি আয়ের সুযোগ হতে পারে।
তবে একটা কথা পরিষ্কার থাকা দরকার — 98ok সবসময় দায়িত্বশীল খেলার পক্ষে। এখানে যাদের গল্প শেয়ার করা হয়েছে, তারা সবাই বাজেটের মধ্যে খেলেছেন, আবেগের বশে সিদ্ধান্ত নেননি এবং বেটিংকে একমাত্র আয়ের উৎস হিসেবে দেখেননি। তাদের সাফল্যের পেছনে রয়েছে পরিমিত ও বুদ্ধিমান খেলার অভ্যাস।
98ok-এর খেলোয়াড়দের নিজের কথায় নিজের যাত্রার বিবরণ
রাকিব ভাই গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে কাজ করেন। ২০২৩ সালের IPL সিজনের আগে তিনি প্রথমবার 98ok-এ অ্যাকাউন্ট খোলেন মাত্র ৳৫০০ দিয়ে। শুরুটা ছিল পরিচিত হওয়ার জন্য, বড় কিছু আশা নিয়ে না।
"প্রথম সপ্তাহে ছোট ছোট বাজি ধরতাম। ক্রিকেট আমি আগে থেকেই ভালো বুঝি, তাই অডসগুলো দেখে মিলিয়ে নিতাম। 98ok-এর লাইভ স্ট্যাটিস্টিক্স অনেক কাজে লাগত।"
IPL-এর পুরো সিজনে রাকিব ভাই মোট ৮৭টি বেট দিয়েছেন, তার মধ্যে ৬১টিতে জিতেছেন। তিনি কখনো এক বেটে ৳১,০০০-এর বেশি রাখেননি, কিন্তু নিয়মিত ছোট ছোট জয় মিলিয়ে শেষে ৳৪২,৫০০ হয়ে গেছে।
সুমাইয়া আপার গল্পটা সত্যিই অবাক করার মতো। তিনি মিরপুরে সংসার সামলান, পাশাপাশি অনলাইনে ছোটখাটো কাজ করেন। 98ok-এর লটারি সম্পর্কে জানতে পারেন একজন প্রতিবেশীর কাছ থেকে।
"আমি প্রতি সপ্তাহে মাত্র ৳১৫০ করে লটারি টিকেট কিনতাম। ভেবেছিলাম যদি কিছু না-ও পাই, বেশি ক্ষতি নেই। কিন্তু একদিন সকালে ফোনে নোটিফিকেশন দেখে চমকে যাই।"
সেই সাপ্তাহিক মেগা ড্র-তে সুমাইয়া আপার নম্বর উঠেছিল। 98ok সাপোর্ট টিম তাকে ফোন করে নিশ্চিত করে এবং পরের দিনই ৳১,২০,০০০ তার Nagad অ্যাকাউন্টে চলে আসে।
তানভীর ভাই চট্টগ্রামে ইলেকট্রনিক্সের দোকান চালান। ব্যবসার ফাঁকে রাতে ঘরে বসে 98ok-এর লাইভ ক্যাসিনো খেলতেন। শুরুতে শুধু দেখতেন, তারপর ধীরে ধীরে খেলতে শুরু করেন।
"ব্যাকারাটের নিয়মটা বুঝতে একটু সময় লেগেছিল। 98ok-এর বাংলা গাইড আর ডেমো মোড অনেক সাহায্য করেছে। এখন নিজেই কৌশল বুঝতে পারি।"
তানভীর ভাই প্রতি রাতে বড়জোর এক ঘণ্টা খেলেন। নির্দিষ্ট বাজেটের বেশি কখনো রাখেন না। এই নিয়মানুবর্তিতাই তাকে ৬ মাসে ৳৮৮,০০০ আয় করতে সাহায্য করেছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আরিফ প্রথম 98ok-এ আসেন ওয়েলকাম বোনাসের কথা শুনে। ১০০% বোনাস পেয়ে শুরু থেকেই স্লট গেমসে হাত দেন।
"পড়াশোনার ফাঁকে মোবাইলে খেলি। 98ok-এর অ্যাপটা অনেক স্মুথ, লোড হয় দ্রুত। ফ্রি স্পিন পেলে সেগুলো কাজে লাগাই। এভাবেই জমতে জমতে বড় হয়েছে।"
আরিফ জানায়, সে কখনো টিউশনির টাকা বাজিতে রাখেনি। শুধু বোনাস আর জেতা টাকা দিয়েই খেলেছে — এটাই তার কৌশল।
সজীব ভাই ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার। ইউরোপিয়ান ফুটবল তার প্যাশন — বিশেষত Champions League। 98ok-এ যোগ দেওয়ার পর বুঝতে পারেন এখানে ফুটবল বেটিং-এর অডস অন্য সাইটের চেয়ে অনেক ভালো।
"আমি ম্যাচ বিশ্লেষণ করতে ভালোবাসি। দলের ফর্ম, ইনজুরি আপডেট দেখে বেট রাখি। 98ok-এর ইন-প্লে বেটিং সত্যিই দারুণ — ম্যাচ চলার মাঝেও বাজি বদলানো যায়।"
সজীব ভাই বলেন, বেটিংকে তিনি ফ্রিল্যান্সিং-এর পাশাপাশি দ্বিতীয় আয়ের উৎস হিসেবে দেখেন, কিন্তু কখনো প্রধান আয় হিসেবে নয়।
রেজাউল ভাই একজন সফল উদ্যোক্তা। তিনি 98ok-এর Diamond VIP সদস্য এবং হাই রোলার প্রোগ্রামের অংশ। তার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার রয়েছে যিনি সার্বক্ষণিক সহায়তা দেন।
"আমি 98ok-এ এসেছি কারণ এখানে হাই রোলারদের জন্য আলাদা সুবিধা আছে। আনলিমিটেড উইথড্রয়াল, প্রায়রিটি সাপোর্ট — এই সুবিধাগুলো সত্যিই কাজে আসে।"
রেজাউল ভাই বলেন, তিনি ক্রিকেট, ফুটবল ও লাইভ ক্যাসিনো — তিনটিতেই খেলেন এবং প্রতিটিতে নির্দিষ্ট বাজেট ঠিক রাখেন। বড় ব্যাংকরোল থাকলেও তিনি কখনো বেশি ঝুঁকি নেন না।
গাজীপুরের গার্মেন্টস কর্মী থেকে 98ok-এর সফল ক্রিকেট বেটর
গাজীপুরের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করেন মোহাম্মদ রাকিব। মাসিক বেতন ছিল ২২,০০০ টাকা — সংসার চালাতে গেলে একটু টানাটানি লাগতই। ছোটবেলা থেকে ক্রিকেটপাগল রাকিব একদিন সহকর্মীর কাছে শুনলেন 98ok-এর কথা।
"প্রথমে ভরসা হচ্ছিল না। মনে হচ্ছিল হয়তো টাকা দিয়ে পরে আর পাব না। কিন্তু সহকর্মী যখন bKash-এ টাকা তোলার স্ক্রিনশট দেখালেন, তখন একটু আগ্রহ হলো।" — রাকিব।
২০২৩ সালের মার্চ মাসে রাকিব 98ok-এ নিবন্ধন করেন। প্রথম ডিপোজিট ছিল মাত্র ৳৫০০। ওয়েলকাম বোনাস পেয়ে হলো ৳১,০০০। এই টাকা দিয়েই শুরু করলেন IPL-এর প্রস্তুতি।
রাকিব শুরু থেকেই একটা নিয়ম মেনে চলতেন — প্রতিটি বেটে কখনো ৳১,০০০-এর বেশি রাখবেন না। এছাড়া দিনে সর্বোচ্চ তিনটি বেট, তার বেশি না। 98ok-এর লাইভ স্কোরকার্ড, পিচ রিপোর্ট এবং দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স দেখে সিদ্ধান্ত নিতেন।
"আমি মূলত ম্যাচের প্রথম ১০ ওভারের রান লাইনে বেট করতাম। এটায় রেজাল্ট আন্দাজ করা একটু সহজ কারণ পিচ কন্ডিশন তখন সবচেয়ে স্পষ্ট থাকে। 98ok-এর ইন-প্লে অডস অনেক দ্রুত আপডেট হয়, সেটা আমার কাজে লেগেছে।"
"সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো — হারলে হতাশ হয়ে একসাথে অনেক টাকা ঢালা যাবে না। ঠান্ডা মাথায় পরের ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এই ধৈর্যটাই আমাকে শেষ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়ে গেছে।"
— মোহাম্মদ রাকিব, গাজীপুর
98ok-এর অভিজ্ঞ সদস্যরা যা বলছেন নতুনদের উদ্দেশে
"বেটিং শুরু করার আগে 98ok-এর ডেমো মোডে অন্তত এক সপ্তাহ খেলুন। আসল টাকা না লাগিয়ে গেমটা বুঝুন, তারপর ছোট অ্যামাউন্ট দিয়ে শুরু করুন। তাড়াহুড়ো করলে সাধারণত হারতে হয়।"
— তানভীর আহমেদ, চট্টগ্রাম"আমি সবসময় মাসের শুরুতে একটা বেটিং বাজেট ঠিক করি। সেই টাকা শেষ হলে মাসের বাকি দিন আর খেলি না। এই নিয়মটা মানলে কখনো বড় ক্ষতি হবে না এবং মানসিক চাপও থাকবে না।"
— সজীব মজুমদার, সিলেট"লটারি টিকেট কেনার ক্ষেত্রে আমার পরামর্শ — প্রতিদিন একটু একটু কেনা, একসাথে অনেক না। ছোট ছোট টিকেটের সুযোগ বেশি এবং জেতার অনুভূতিটা নিয়মিত আসে, হতাশা কম লাগে।"
— সুমাইয়া বেগম, ঢাকা"98ok-এর বোনাস অফারগুলো ভালো করে পড়ুন। ওয়েজারিং রিকোয়ারমেন্ট বোঝা জরুরি। বোনাস পেলেই হলো না — সেটা কিভাবে ব্যবহার করতে হবে সেটা জানলে অনেক বেশি সুবিধা পাওয়া যায়।"
— আরিফ হোসেন, রাজশাহী
বাংলাদেশে অনলাইন বিনোদনের বাজার দ্রুত বড় হচ্ছে। মোবাইল ইন্টারনেটের সুলভ মূল্য আর স্মার্টফোনের ব্যাপক প্রসারে এখন গ্রামের মানুষও অনলাইনে সহজে যুক্ত। এই পরিবর্তনের সুযোগ নিয়ে 98ok একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যা সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের মানুষের কথা মাথায় রেখে বানানো।
প্রথম কারণ হলো পেমেন্ট সিস্টেম। বাংলাদেশে bKash, Nagad আর Rocket মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। 98ok এই মাধ্যমগুলোকে সরাসরি সাপোর্ট করে বলে ডিপোজিট বা উইথড্রয়ালে কোনো ঝামেলা নেই। ব্যাংক কার্ড না থাকলেও সমস্যা নেই।
দ্বিতীয় কারণ হলো ভাষা। 98ok বাংলায় সম্পূর্ণ সাপোর্ট দেয়। কাস্টমার সার্ভিস টিম বাংলায় কথা বলতে পারে। এটি ইংরেজিতে দুর্বল বা কম শিক্ষিত ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক বড় সুবিধা।
তৃতীয় কারণ হলো কন্টেন্ট। বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেটপ্রিয়। BPL, IPL, Asia Cup, বিশ্বকাপ — এই টুর্নামেন্টগুলোতে 98ok সবচেয়ে বেশি অডস আর সবচেয়ে বেশি বেটিং মার্কেট অফার করে। এটাই তাদেরকে অন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে তোলে।
এই পেজে যাদের গল্প শেয়ার করা হয়েছে তাদের প্রত্যেকের মধ্যে একটা জিনিস কমন — তারা সবাই দায়িত্বশীলভাবে খেলেছেন। 98ok বিশ্বাস করে যে বেটিং একটি বিনোদন, এটি জীবিকার বিকল্প নয়। আমাদের কেস স্টাডিগুলো এই বার্তাটাই দেয়।
সফল খেলোয়াড়রা কখনো হারানো টাকা ফিরে পাওয়ার আশায় বেশি বাজি ধরেননি। তারা আগে থেকেই বাজেট ঠিক করে রেখেছিলেন এবং সেই বাজেটের বাইরে যাননি। আবেগ নয়, তথ্য ও বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
98ok-এ রয়েছে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং রিয়েলিটি চেক ফিচার। এগুলো ব্যবহার করে যেকোনো খেলোয়াড় নিজের খেলার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন। আমাদের কেস স্টাডির প্রতিটি চরিত্র এই ফিচারগুলো সম্পর্কে সচেতন ছিলেন।
আপনিও যদি 98ok-এ শুরু করতে চান, তাহলে প্রথমে ডেমো মোডে অভিজ্ঞতা নিন। ছোট বাজেট দিয়ে শুরু করুন, ধৈর্য ধরুন এবং নিজের একটি কৌশল তৈরি করুন। মনে রাখবেন — এখানে কেউ রাতারাতি কোটিপতি হয়নি, কিন্তু ধৈর্য আর পরিকল্পনা দিয়ে অনেকেই ভালো বাড়তি আয় করছেন।